dpe admit card 2021- dpe.teletalk.com.bd

প্রাইমারি প্রবেশপত্র (dpe admit card) ২০২১ঃ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত “সহকারী শিক্ষক” এর প্রবেশপত্র প্রকাশিত হবে – dpe.teletalk.com.bd admit card বিভাগে।

আবেদনকারী খুব সহজেই প্রাইমারি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। এজন্য তাদের আবেদন করার পর যে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পেয়েছিল সেটি প্রয়োজন হবে।

এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর “সহকারী শিক্ষক” এর শূণ্যপদে অস্থায়ীভাবে নিম্নবর্ণিত বেতনস্কেলে নিয়োগের জন্য বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকের নিকট থেকে (পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ব্যতীত) নিম্নে উল্লিখিত নির্দেশনা অনুযায়ী দরখাস্ত আহবান করেছে।

যারা এই পদের জন্য আবেদন করেছে তারা সবাই পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

প্রাইমারি প্রবেশপত্র কিভাবে ডাউনলোড করবেনঃ

প্রাইমারি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করার জন্য আবেদনকারীকে dpe.teletalk.com.bd/admitcard বিভোগে গিয়ে নিজস্ব আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে।

এ চাকুরী সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য নিম্নে দেওয়া হলোঃ

পদের নামবেতনক্রমবয়সসীমা শিক্ষাগত যোগ্যতা
সহকারী শিক্ষকপ্রশিক্ষণপ্রাপ্তবেতনস্কেলটাকা- ১০২০০-২৪৬৮০ (গ্রেড-১৪)(জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী)
প্রশিক্ষনবিহীনঃ বেতনস্কেলঃ টাকা ৯৭০০-২৩৪৯০ (গ্রেড-১৫)জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী)
আগস্ট ৩০, ২০২০ তারিখ থেকে ৩০ বছর (মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীর ক্ষেত্রে বয়সমীমা ৩২ বছর) পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রেকোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে নূন্যতম দ্বিতীয় বিভাগ/শ্রেণী/সমমানের জিপিএসহ স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রী
মহিলা প্রার্থীদের ক্ষেত্রেঃ উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষায় নূন্যতম দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএসহ উত্তীর্ণ অথবা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ

এ বিজ্ঞপ্তির অধীনে আগ্রহী প্রার্থীগণকে অনলাইন এ দরখাস্ত করতে হবে। সে লক্ষ্যে dpe.teletalk.com.bd এবং dpe.gov.bd ওয়েবসাইটে লগইন করলে একটি লিংক পাওয়া যাবে। 

ঐ লিংকে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা মোতাবেক অনলাইন এ আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। অনলাইন এ আবেদনপত্র পূরণ করে সাবমিট করার পর Applicant Copy প্রিন্ট করতে পারবে। Applicant Copy প্রিন্ট করার পর প্রয়োজনে একাধিকবার পড়ে নিতে হবে। 

অনলাইনে এ আবেদন ফি গ্রহণ শুরুর তারিখ- আগস্ট ১, ২০২০ (সকাল- ১০.৩০ মিনিট হতে), শেষ তারিখ আগস্ট ৩০, ২০২০ 

কেবলমাত্র USER ID প্রাপ্ত প্রার্থীগণ উক্ত সময়ের পরবর্তী ৭২ ঘন্টা পর্যন্ত এসএমএস এ আবেদন ফি প্রদান করতে পারবেন। 

আবেদনকারীকে ১টি ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দেয়া হবে। উক্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সব সময়ের  জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। 

অনলাইনে আবেদন দাখিলের পর এসএমএস এ অবশ্যই ফি প্রদান করতে হবে। ফি প্রদানের পরই কেবল আবেদনটি চূড়ান্তভাবে গৃহিত হয়েছে বলে গণ্য হবে। 

পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থাদি চূড়ান্ত করার পর প্রত্যেক যোগ্য আবেদনকারীকে এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হবে এবং তিনি উপরোক্ত ওয়েবসাইটের লিংক ব্যবহার করে পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড সহ অন্যান্য তথ্য পুনরুদ্ধারের জন্য উক্ত লিংকে প্রার্থীর নিজস্ব তথ্য দিয়ে পুনরুদ্ধার করা যাবে। 

দরখাস্তকারী যে উপজেলা/থানার স্থায়ী বাসিন্দা তার প্রার্থিতা উক্ত উপজেলা/থানা জন্য বা অনুকূলে নির্ধারিত থাকবে এবং তার নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম তদনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে। 

বিবাহিত মহিলা প্রার্থীগণ দরখাস্তে তাদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানায় দরখাস্ত করতে পারবেন। তবে এ দুটি স্থায়ী ঠিকানার মধ্যে তিনি যেটি দরখাস্তে উল্লেখ করবেন তার প্রার্থিতা সেই উপজেলা/থানার কোটায় বিবেচিত হবে। 

মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র কন্যা এবং পুত্র কন্যার পুত্র কন্যা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় বিবেচিত হবেন। 

প্রার্থীকে পরীক্ষার ফি বাবদ অফেরতযোগ্য সাভির্স চার্জসহ ১৬৫.৫০ (একশত ছিষট্টি টাকা পঞ্চাশ পয়সা) টাকা যে কোন টেলিটক মোবাইল নম্বর হতে এসএমএস এর মাধ্যমে যথাসময়ে প্রেরণ করতে হবে। 

আগস্ট ২০, ২০২০ তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮-৩০ বছরের হতে হবে। তবে শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রতিবন্ধীর ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩২। 

বয়স নিরূপণের ক্ষেত্রে কোন এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়। 

অসত্য/ভূয়া তথ্য সংবলিত/ত্রুটপূর্ণ/অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র কোন কারণ দর্শানো ব্যতিরেখে বাতিল বলে গণ্য হবে। 

প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত/প্রদত্ত কোন তথ্য বা কাগজপত্র নিয়োগ কার্যক্রম চলাকালে যে কোন পর্যায়ে বা নিয়োগপ্রাপ্তির পরেও অসত্য/ভূয়া প্রমাণিত হলে তার দরখাস্ত/নির্বাচন/নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং মিথ্যা/ভূয়া তথ্য সরবরাহ করার জন্য তার বিরুদ্ধে আইনগত/প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত ছবি ও অন্যান্য সনদপত্র সত্যায়ন করার ক্ষেত্রে সত্যায়নকারী কর্মকর্তার (৯ম বা তদুর্ধ্ব গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা) স্বাক্ষরের নীচে নাম ও সীল থাকতে হবে। নিম্মবর্ণিত সত্যায়নকৃত কাগজপত্রাদি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে। 

ক) অনলাইন এ দাখিলকৃত আবেদনের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট সাইজের ২ (দুই) কপি ছবি। 

শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পর্কিত সকল প্রকার মূল/সাময়িক সনদপত্র। 

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত নাগরিক সনদপত্র। 

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদনকারী প্রার্থীর ক্ষেত্রে সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় সনদ ও কাগজপত্র

প্রার্থীর সাথে মুক্তিযোদ্ধার সম্পর্ক উল্লেখপূর্বক ৯ম বা তদুর্ধ্ব গেজেটেড কর্মকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/পৌরসভার মেয়র/সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র। 

এতিম প্রার্থীর ক্ষেত্রে সমাজসেবা অধিপপ্তর কর্তৃক রেজিস্ট্রিকৃত এতিমখানা/শিশুসনদ কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র।

প্রতিবন্ধী প্রার্থীর ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত সনদপত্র। 

পোষ্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক () প্রদত্ত পোষ্য সনদপত্র। 

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য এ মর্মে জেলা আনসার অ্যাডজুট্যান্ট কর্তৃক প্রদত্ত উপজাতীয় পরিচয় বিষয়ক সনদপত্র। 

লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি। 

উপরোক্ত তথ্যাদি মোতাবেক প্রাথমিক বাছাইয়ের পর কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় কেবলমাত্র যোগ্য প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট জেলায় নির্ধারিত তারিখে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়া হবে। লিখিত ও মৌীখক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কোন প্রকার টিএ/ডিএ প্রদান করা হবে না। 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিপপ্তরাধীন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৩ এ বর্ণিত নিয়মানুযায়ী মেধা ও কোটা অনুসারে নিয়োগ দেয়া হবে। সে অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীকে যে উপজেলা/থানায় নিয়োগ দেয়া হবে তাকে আবশ্যিকভাবে সে উপজেলা/থানায় চাকরি করতে হবে। 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৩ এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী পোষ্য অর্থ কোন পদে নিয়োজিত আছেন বা ছিলেন এমন শিক্ষকের অবিবাহিত সন্তান, যিনি উক্ত শিক্ষকের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল আছেন বা তিনি জীবিত থাকলে বা চাকরিতে থাকলে সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল থাকতেন এবং উক্ত শিক্ষকের বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী বা তালাকপ্রাপ্ত  কন্যা যিনি উক্ত শিক্ষকের উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল ছিলেন বা ক্ষেত্রমত, তিনি জীবিত থাকলে অনুরুপভাবে নির্ভরশীল থাকতেন্ 

মৌখিক পরীক্ষার সময় পোষ্য প্রার্থীদেরকে তারিখ পর্যন্ত তিনি পোষ্য ছিলেন মর্মে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত সনদ দাখিল করতে হবে। 

উল্লিখিত সনদ দাখিল করতে কোন প্রার্থী ব্যর্থ হলে তিনি পোষ্য কোটার পরিবর্তে সাধারণ কোটার প্রার্থী হিসেবে গণ্য হবেন। 

এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কারণে কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা গ্রহণ বা কিংবা প্রার্থীত পদে নিয়োগ প্রদান করতে বাধ্য থাকবে না।